রোজায় খাবারে সতর্ক থাকুন

ডা. মো. ফজলুল কবির পাভেল

সহকারী সার্জন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

রোজা শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেক পবিত্র এই মাস। রোজা মুসলমানদের জন্য ফরজ। তবে সারা বছরের অভ্যাস এই সময়ে কিছুটা পরিবর্তন হয়। সারা বছরের খাদ্যাভ্যাস বদলে যায় পবিত্র এই রমজান মাসে। প্রথম দিকে মানিয়ে নিতে একটু অসুবিধা হয় অনেকের। তবে নিয়ম মানলে অনেক ভাল থাকা যায় এই সময়।

রোজায় সুস্থ থাকতে কোনোভাবেই বাইরের ভাজা পোড়া খাবার খাওয়া যাবে না। এসব খাবারে অস্বাস্থ্যকর উপাদান থাকে। পুরনো খাবারও অসৎ দোকানদার বিক্রি করে। রাস্তায় খাবারে বিভিন্ন ধুলা এবং মাছি বসে। সেহরি বা ইফতারে যেকোনো ধরনের খাবারই একজন সুস্থ মানুষ খেতে পারেন। তবে এসব হতে হবে ঘরে বানানো। রোজার সময় কেউ যদি বাইরের খাবার নিয়মিত খায় তবে তার অ্যাসিডিটি বাড়বে। বাড়বে আরও নানা সমস্যা।

রোজায় প্রচুর পানি পান করতে হবে। তাজা ফলের জুস খুব উপকারী। তবে বাইরে বানানো জুসের থেকে বাসায় তৈরি জুস অনেক স্বাস্থ্যকর। তাজা ফল এই সময়ে প্রচুর খাওয়া উচিত। ইফতারে শরবত খেতে হবে। যাদের ডায়াবেটিস নেই তারা মিষ্টি খেতে পারেন।

শর্করাজাতীয় খাবার খেতে হবে ইফতারিতে। এই ধরণের খাবার শক্তি দেয় দ্রুত। কিডনির রোগীরা প্রোটিন কম খাবেন। মাছ, মাংস, ডিম এবং ডালে প্রোটিন থাকে। তবে সুস্থ মানুষের প্রোটিন খেতে কোন বাধা নেই। তেল জাতীয় খাবার সবারই কম খেতে হবে।

রোজায় সেহরিতে অনেকেই খান না। এই অভ্যাস খুব ক্ষতিকর। দিন এখন অনেক বড়। এত দীর্ঘ সময় না খেলে দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা। ইফতারে একসাথে বেশি খাওয়া যাবেনা। অনেকে রাতে না খেয়ে শুয়ে পড়েন। তাদের ক্ষেত্রেও দেখা দিতে পারে বিভিন্ন জটিলতা। পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুমও এই সময় খুব জরুরি।