বাবা মুসলমান, মা হিন্দু, শাকিব-অপুর সন্তান আব্রামের ধর্ম কী?

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট: শাকিব খান-অপু বিশ্বাসের সন্তান আব্রাম খান জয়। শাকিবের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়ার পর থেকে আব্রাম বড় হচ্ছেন অপুর ঘরে। উৎসব-পার্বণে আব্রামকে সময় দেন শাকিব।

সুপার স্টার শাকিব খানের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার সময় অপু বিশ্বাস সনাতন ধর্ম ত্যাগ করেন ইসলাম গ্রহণ করেন বলে মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ হয়। তখন অপু বিশ্বাস নাম পরিবর্তন করে অপু ইসলাম নাম ধারণ করেন বলেও জানা যায়। সম্প্রতি অপু বিশ্বাস জানান তিনি ধর্ম ত্যাগ করেননি। আগের ধর্মেই আছেন।

এমতাবস্থায় শাকিব-অপুর সন্তান আব্রামের ধর্ম কী? বাবা মুসলমান, মা হিন্দু। আব্রাম কোন ধর্মের পরিচয়ে বড় হবেন-এমন কৌতুহল শাকিব-অপুর ভক্ত অনুরাগীদের মধ্যে।

আব্রাম খান জয়ের ধর্ম কী-এমন প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন তার মা অপু বিশ্বাস। তিনি বলেন, আমার ছেলে যেহেতু আমার সঙ্গে আছে সে আমার মতো করেই বড় হচ্ছে। সে তার বাবার সঙ্গে কখনও ঈদ করেনি। ভবিষ্যতের কথা তো বলতে পারব না।

অপু বিশ্বাস ইঙ্গিত দিলেন আব্রাম তার ইচ্ছানুযায়ী ধর্ম বেছে নিতে পারবে। বড় হয়ে সেই সিদ্ধান্ত নেবে বাবার ধর্ম অনুসরণ করবে নাকি মায়ের?

এ বিষয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, “সব ধর্মের প্রতি আমার শ্রদ্ধা রয়েছে। শাকিব খানের সঙ্গে যখন বিয়ে হয় তখন কাবিননামা একঝলক দেখেছিলাম। তারপর কাবিননামার কোনো হদিস পাইনি। আদালতের মাধ্যমে যেভাবে ধর্মান্তর করা হয় আমি সেরকম কিছু করিনি।”

“ঈদ এবং ইসলাম ধর্মের প্রতি আমার যথেষ্ট সম্মান রয়েছে। কিন্তু আমার কখনো ঈদ উদযাপন করা হয়নি। কোরবানির ঈদ থেকে শুরু করে এখনো কোনোদিন গো-মাংস স্পর্শ করিনি। আমার বাসার লোকদের জন্য খাসি কোরবানির ব্যবস্থা করি।”

“আমি যেহেতু শাকিবকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলাম, তাই ধর্ম পরিবর্তন করার জন্যও প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু কোরআন শিক্ষা বা ধর্মান্তর এসব কিছু করা হয়নি।”

আব্রাম খান জয়ের ধর্ম কী হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে অপু বলেন, “জয় যেহেতু আমার সঙ্গে আছে সে আমার মতো করেই বড় হচ্ছে। সে তার বাবার সঙ্গে কখনো ঈদ করেনি। ভবিষ্যতের কথা তো বলতে পারব না, তবে আমার সন্তানকে নিয়ে তার বাবার আদরকে আমার কাছে ছেলেমানুষি মনে হয়।”

“সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে আমি অনেক ভালো আছি। প্রেম বিয়ে নিজের সিদ্ধান্তে করেছিলাম। কিন্তু বিবাহবিচ্ছেদের পর সমস্ত সিদ্ধান্ত আমার পরিবার নিচ্ছে। যখন ভালোবেসে বিয়ে করেছিলাম তখন তো আর জানতাম না আমার জীবনে এমন সময় আসবে। যেহেতু আমি ধর্মান্তরিত হইনি, তাই আমি আমার ধর্ম অনুযায়ী চলছি এবং সেভাবেই চলতে চাই।”