নিজের বাবা মারা গেলেই বুঝতে পারা যায় বাবা হারানোর শুণ্যতা কি! : এম আই প্রধান

এম আই প্রধান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়  এর মাননীয় মন্ত্রীর পাবলিক রিলেশন অফিসার, সম্প্রতি তিনি হারিয়েছেন তাহার বাবাকে, এই অত্যন্ত দায়িত্বশীল অফিসারের বাবার মৃত্যুতে বিডিনিউজ এক্সপ্রেস পড়িবার গভীর শোক প্রকাশ করছি।
সম্প্রতি বাবাকে স্মরণ করে তিনি নিখেছেঃ “নিজের বাবা মারা গেলেই বুঝতে পারা যায় বাবা হারানোর শুণ্যতা ঠিক কি রকমের হয়! সন্তানকে বাবার কিছুই দেবার দরকার থাকেনা। বাবা সন্তানকে জন্ম দিয়েছেন এটাই সন্তানের জন্য আজীবনের মতো পরম এক পাওয়া। বাবা যেভাবে নাম ধরে গভীর মমতায় কোমল স্বরে সন্তানকে ডাক দেন; কেবল এই ডাকটুকু শুনবার জন্য হলেও বাবার প্রতি কৃতজ্ঞতার শেষ থাকে না। আর সেই ডাক শোনার সৌভাগ্য থেকে যে সন্তান একবার চিরবঞ্চিত হয়, কেবল সেই সন্তানই বুঝতে পারে শুণ্যতাটি কতটা নির্মম, কতটা মারাত্মক, কতটা কষ্টের!
কত দুঃস্বপ্নের মতো করে দ্রুততম স্বল্পসময়ে শিশুসুলভ আমার প্রিয় আব্বাকে এভাবে হারিয়ে ফেললাম। কত স্বপ্ন ছিল আব্বাকে নানাভাবে সারপ্রাইজ করবো; হজ্ব করাবো, বিদেশে নিয়ে বাপ বেটায় আড্ডা দিব, কক্সবাজারে যাবো, আরো কত কি। কিছুই আর করা হলো না। আজ করি, কাল করি করতে করতে সামান্য প্লেনেও আর আব্বাকে উঠানো হলোনা।
সবার বাবাই সবার কাছে হিরো। সবার বাবাই সবার কাছে সেরা। আমার বাবাও আমার কাছে আমার হিরো। শুধু হিরো না, একেবারে সুপার হিরো।
আহ! কি অসাধারণ সরল, নিরহংকারী একজন অতি সাধারণ মানুষ ছিলেন তিনি। সারাজীবনের পুণ্য দিয়ে হলেও আমি যদি আমার আব্বার মতো তাঁর মানের মাত্র ১০ ভাগ মানুষও হতে পারতাম!”
তারিখঃ ১২/০৭/২১