সনামধন্য ওষুধ বিজ্ঞানী সর্বজন শ্রদ্ধেয় “অধ্যাপক আ ব ম ফারুক স্যার” করোনায় আক্রান্ত এবং দোয়া প্রার্থনা।

বিডিনিউজ এক্সপ্রেসঃ সনামধন্য ওষুধ বিজ্ঞানী সর্বজন শ্রদ্ধেয় “অধ্যাপক আ ব ম ফারুক স্যার” করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আজ প্রায় ৫ দিন এবং তিনি সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

উল্লেখ্য, বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টার পরিচালক এবং ফার্মেসি অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর সাবেক ডিন, অধ্যাপক আ ব ম ফারুক স্যার করোনা ভাইরাস  আবির্ভাব এর শুরু থেকে সর্বস্থরের মানুষকে সচেতন করার লক্ষে নিয়মিত লেখালেখি করেছেন তিনি সরকারের ভ্যাক্সিন আবিষ্কারের কাজকে ত্বরান্বিত করতে পরামর্শ ও সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। এই প্রবীণ ওষুধ বিজ্ঞানী এবং সকল ওষুধ বিজ্ঞানীদের বটবৃক্ষ “অধ্যাপক আ ব ম ফারুক স্যার” আজ নিজেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। সকলে আজ স্যারের দ্রুত আরজ্ঞের জন্য দোয়া প্রাথনা করছি, স্যার দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক, তিনি দেশ ও মানুষের কল্যাণের তরে এবং মানুষের দোয়ায় পাক দীর্ঘ জীবন এটাই আমাদের প্রার্থনা।

একটি স্টেটমেন্টে অধ্যাপক আ ব ম ফারুক স্যার লিখেছেন “করোনায় আক্রান্ত হয়েছি আজ তিন দিন। সম্ভবত ওমিক্রন ভ্যারাইটি। বাসাতেই আছি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রতি আবিষ্কৃত ওষুধই খাচ্ছি। দেশের ওষুধশিল্প ও ফার্মাসিস্টদের আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ যে তারা গত মাসে এফডিএ করোনার যেসব ওষুধ অনুমোদন করেছে সেগুলো সেদেশের লোকজনের হাতে সেদেশের ওষুধ কোম্পানির মাধ্যমে পৌঁছানোর আগেই তারা আমাদের বাংলাদেশের রোগীদের হাতে অবিশ্বাস্য কমদামে পৌঁছে দিয়েছে। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু যদি ‘গরিবকে বাঁচাতে ওষুধের পেটেন্ট মানবো না’ এই নীতি ঘোষণা না করতেন তাহলে আমাদের দেশের মানুষের পক্ষে এই ওষুধগুলো মূল দামে কেনা দূরুহ হয়ে যেত। এই করোনাকালে বঙ্গবন্ধুকে তাঁর এই দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সাহসী সিদ্ধান্তের কারণে কৃতজ্ঞতা জানাই।

গত দুই দিনে নাকের পানি ঝরা, জ্বর-জ্বরভাব, মাথাব্যথা আর গায়ের ব্যথা কমেছে। তবে কাশি আর মারাত্মক দুর্বলতা বেড়েছে।

দেশে করোনায় সনাক্তের হার ২%তে নেমে এসেছিল। কিন্তু দেশবাসীর অধিকাংশের মাস্ক না পরা, টিকা নিতে ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মানতে অনীহার কারণে সারা দেশে এখন মারাত্মক অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষিত-অশিক্ষিত নির্বিশেষে এই অনীহাওয়ালাদের কারণে অন্যান্যদের সাথে আমরা যারা সতর্কতার সাথে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেছি, সেই আমরাও আক্রান্ত হলাম।

দ্রুত আরোগ্যের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।

অধ্যাপক আ ব ম ফারুক।”

তারিখঃ ২৯/০১/২২