আমি তার মুখ দেখেছিঃ শাহিনা খাতুন।
যে প্রদীপ ধীরে ধীরে নিভে যাওয়ার
অপেক্ষায় আছে
আমি তার মুখ দেখেছি
তার কোন নিরাময় নেই
তার শুধু অবিচল থাকতে হবে।
বড় বেশী ক্ষুদ্র ছিল সবটুকু
তবুও নীচতাকে আঁকড়ে ধরে
পার হয়ে গেছে অতিমূল্যবান সময়
বর্ণ শব্দ বাক্যের তীব্রতা
কখনো চমকে দেয়
কাটাতারের আঘাতের চেয়েও
জর্জরিত করে দিতে পারে
পাথর গলে গিয়েছিল নিমিষে
সে নিমেষ সবুজ পাতার মত নয়
অথবা ময়ুরাক্ষী নদীর মত নয়।
কে আমি ভিখারিনী?
পরিচয়হীন অবিমৃশ্যকারী!
পা টেনে টেনে হেটে যাওয়া
মৃত্যু পথযাত্রীর মত অসহায় হয়ে
কৃপার অন্বেষণ শুধু।
মৃত্যু দেখে দেখে অভ্যস্ত নিরেট প্রাণ
বিকট শব্দ ছাড়া চমকেও ওঠেনা।
এত পাষাণ যেন কোনদিন কেউ ভালবাসেনি
বাঁশি ছিল তাতে সুর ছিলোনা
প্রাণে সুর নেই বলে
বাঁশি বাতাস হয়ে দাড়িয়েছিল
সেই বাতাসে আমি তার মুখ দেখেছিলাম।














