বিডিনিউজ এক্সপ্রেসঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হেপাটোলজি বিভাগের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল) বর্তমানে তিনি হেড, ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি ডিভিশন হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম আনুযায়ি চেয়ারম্যান হিসেবে তিন বছরের জন্য নিয়োগ পেয়ে থাকেন তারই ধারাবাহিকতায় হেপাটোলজি বিভাগ থেকে বিদায় নিয়ে নিলেন অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল)।
এই বিদায়কে ঘিরে তাহার এক ছাত্র “শওকত হোসেন রুমেল” এক স্ট্যাটাসে তুলে ধরেছেন অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল) এর কিছু অর্জন।
তিনি লিখেছেন “স্যার, আপনি হচ্ছেন সেরকমই একজন স্বপ্নচারী মানুষ। আমরা যারা আপনার সরাসরি ছাত্র তারা পর্যন্ত বিশ্বিত হয়ে যাই আপনার চিন্তা এবং স্বপ্নগুলোর ধরন ও উচ্চতা দেখে !!! বিশ্বিত হয়ে যাই এই ভেবে যে, এও কি সম্ভব !!!
বাংলাদেশের মানুষের জন্য সমসাময়িক বিশ্বমানের লিভার চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে, এই স্বপ্নটি একদিন স্যার আপনিই দেখেছিলেন। আর তারই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা পেয়েছি ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি। সময় সময়ের নিয়মে এগিয়ে যাবে। যুগের পর যুগ চলে যাবে। হয়ত অনেক বড় বড় ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজিস্টের জন্ম হবে এই দেশে। কিন্তু স্যার যে শুরুটা আপনি করে দিয়ে গেলেন, তা এই বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, এই দেশের মেডিকেল শিক্ষার ইতিহাসে তা স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। আর আমরা আপনার ছাত্ররা দেশে এবং দেশের বাহিরে গর্বভরে বলব, “We are the students of that person, we are the students of that legend ! Yes, we are the students of Professor Mamun al Mahtab Shwapnil”
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হেপাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান হিসাবে সময়টা মাত্র তিন বছর। তন্মধ্যে বিগত দেড় বছর বাংলাদেশ সহ সমগ্র পৃথিবী করোনার অতিমারিতে জর্জরিত। ফলশ্রুতিতে অনেক স্বাভাবিক কার্যক্রম প্রতিনিয়ত বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং হচ্ছে। তথাপি এত বাধাবিপত্তির মধ্যেও স্বল্প এই তিন বছর সময়ে হেপাটোলজি বিভাগে যা উন্নয়ন হয়েছে, তা পূর্বের বিশ বছরেও হয়নি। আর এটা একমাত্র সম্ভব হয়েছে কারণ, এর পেছনের মানুষটি ছিলেন আপনি। যিনি প্রতিনিয়ত চিন্তা করেন, স্বপ্ন দেখেন কিভাবে এদেশের লিভার চিকিৎসা তথা চিকিৎসা শিক্ষাকে এগিয়ে নেয়া যায়। আর সেই স্বপ্নের রূপকারও স্যার আপনিই।
ভাল থাকবেন স্যার। আপনার সু স্বাস্হ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।”

এক স্ট্যাটাস এর মাধ্যমে অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল) বলেন,
আমার দায়িত্বকালিন সময়ের একটা বড় অংশ হারিয়ে গিয়েছে অতিমারীতে।
তারপরও চেস্টা ছিলো। আমার গত তিন বছরের পথ চলার বৃত্তান্তটা কিছুটা এরকম:
আমার দায়িত্বকালিন সময়ের একটা বড় অংশ হারিয়ে গিয়েছে অতিমারীতে।
তারপরও চেস্টা ছিলো। আমার গত তিন বছরের পথ চলার বৃত্তান্তটা কিছুটা এরকম:
১) রেসিডেন্টের জন্য লকারের ব্যবস্থা করা।
২) রেসিডেন্টদের জন্য রিডিং রুমের ব্যবস্থা করা।
৩) সিনিয়র রেসিডেন্টদের জন্য আলাদা এসি রিডিং রুমের ব্যবস্থা করা।
৪) ডিপার্টমেন্টে লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা।
৫) রোগীদের জন্য নতুন ম্যাট্রেসের ব্যবস্থা করা।
৬) রোগীদের খাট এবং সাইড টেবিলগুলো মেরামত করা।
৭) ওয়ার্ডগুলোতে আলো বাড়ানো।
৮) ডিপার্টমেন্টের প্রতিটি টয়লেট সংষ্কার করা।
৯) এন্ডোস্কোপি করতে আসা অপেক্ষমান রোগীদের জন্য ফ্যানসহ বসার ব্যবস্থা করা।
১০) ডিপার্টমেন্টকে সিসিটিভি নজরদারীর আওতায় আনা।
১১) ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যানের রুম সংস্কার করা।
১২) প্রত্যেক অধ্যাপকের রুমে নতুন আসবাবপত্রের ব্যবস্থা করা।
১৩) প্যান্ডেমিকের সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে ডায়াগনস্টিক ও থেরাপিউটিক এন্ডোস্কোপি, কোলনোস্কোপি এবং ইআরসিপি চালু রাখা।
১৪) ডিপার্টমেন্টের জন্য একটি প্যানটেক্স আপার জি আই এন্ডোস্কোপ সংগ্রহ করা।
১৫) ডিপার্টমেন্টে একজন হিসাবরক্ষক এবং একজন কম্পিউটার অপরেটর নিয়োগ দান।
১৬) ডিপার্টমেন্টের জন্য নতুন এসি অফিস রুমের ব্যবস্থা করা।
১৭) প্যান্ডেমিকের পূর্বে নিয়মিত ভিত্তিতে একাডেমিক সিএমই আয়োজন করা।
১৮) প্রবাসে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক পল কনেট দম্পতি ও বিচারপতি সামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক-কে স্মৃতিচারণের জন্য ডিপার্টমেন্টে আমন্ত্রণ জানানো।
১৯) বিএসএমএমইউ হেপাটোলজি এলুমনাই এসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করা।
২০) প্যান্ডেমিক চলাকালীন সময়ে এই এলুমনাই এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ৩০টির বেশী ওয়েবিনারের আয়োজন।
২১) প্যান্ডেমিকের শুরুতেই ফেব্রুয়ারি ২০২০-এর প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশে কোভিড-১৯ বিষয়ক প্রথম সেমিনার আয়োজন যেখানে কি-নোট স্পিকার ছিলেন ডাঃ শেখ মোহাম্মদ ফজলে আকবর।
২২) ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি ডিভিশন প্রতিষ্ঠা ও এর মাধ্যমে ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজিকে একটি স্বতন্ত্র সাবস্পেশিয়ালটি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক স্বীকৃতি প্রদান।
২৩) হেপাটোলজি বিভাগে অটোলোগাস হেমোপয়েটিক স্টেম সেল ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন ও প্লাজমা এক্সচেঞ্জ চালু করা।
২৪) একসাথে সর্বোচ্চ ৩ জন সহযোগী অধ্যাপকের অধ্যাপক পদে পদোন্নতির ব্যবস্থা করা, যার ফলে এই মুহুর্তে এই বিভাগে ৫ জন সহ বাংলাদেশে হেপাটোলজিতে বিভিন্ন হাসপাতালে সর্বমোট ৯ জন অধ্যাপক কর্মরত আছেন। এটি বাংলাদেশে হেপাটোলজি স্বতন্ত্র স্পেশিয়ালটি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর যে কোন সময়ের বিবেচনায় সর্বোচ্চ।
২৫) বাংলাদেশের এক তৃতীয়াংশ অর্থাৎ ৩৩ জন হেপাটোলজিস্ট এই বিভাগের চেয়ারম্যান হিসাবে আমার মেয়াদকালে বিগত তিন বছরে এই বিভাগ থেকে এমডি (হেপাটোলজি) সম্পনন্ন করে সম্মানের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
২) রেসিডেন্টদের জন্য রিডিং রুমের ব্যবস্থা করা।
৩) সিনিয়র রেসিডেন্টদের জন্য আলাদা এসি রিডিং রুমের ব্যবস্থা করা।
৪) ডিপার্টমেন্টে লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা।
৫) রোগীদের জন্য নতুন ম্যাট্রেসের ব্যবস্থা করা।
৬) রোগীদের খাট এবং সাইড টেবিলগুলো মেরামত করা।
৭) ওয়ার্ডগুলোতে আলো বাড়ানো।
৮) ডিপার্টমেন্টের প্রতিটি টয়লেট সংষ্কার করা।
৯) এন্ডোস্কোপি করতে আসা অপেক্ষমান রোগীদের জন্য ফ্যানসহ বসার ব্যবস্থা করা।
১০) ডিপার্টমেন্টকে সিসিটিভি নজরদারীর আওতায় আনা।
১১) ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যানের রুম সংস্কার করা।
১২) প্রত্যেক অধ্যাপকের রুমে নতুন আসবাবপত্রের ব্যবস্থা করা।
১৩) প্যান্ডেমিকের সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে ডায়াগনস্টিক ও থেরাপিউটিক এন্ডোস্কোপি, কোলনোস্কোপি এবং ইআরসিপি চালু রাখা।
১৪) ডিপার্টমেন্টের জন্য একটি প্যানটেক্স আপার জি আই এন্ডোস্কোপ সংগ্রহ করা।
১৫) ডিপার্টমেন্টে একজন হিসাবরক্ষক এবং একজন কম্পিউটার অপরেটর নিয়োগ দান।
১৬) ডিপার্টমেন্টের জন্য নতুন এসি অফিস রুমের ব্যবস্থা করা।
১৭) প্যান্ডেমিকের পূর্বে নিয়মিত ভিত্তিতে একাডেমিক সিএমই আয়োজন করা।
১৮) প্রবাসে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক পল কনেট দম্পতি ও বিচারপতি সামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক-কে স্মৃতিচারণের জন্য ডিপার্টমেন্টে আমন্ত্রণ জানানো।
১৯) বিএসএমএমইউ হেপাটোলজি এলুমনাই এসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করা।
২০) প্যান্ডেমিক চলাকালীন সময়ে এই এলুমনাই এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ৩০টির বেশী ওয়েবিনারের আয়োজন।
২১) প্যান্ডেমিকের শুরুতেই ফেব্রুয়ারি ২০২০-এর প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশে কোভিড-১৯ বিষয়ক প্রথম সেমিনার আয়োজন যেখানে কি-নোট স্পিকার ছিলেন ডাঃ শেখ মোহাম্মদ ফজলে আকবর।
২২) ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি ডিভিশন প্রতিষ্ঠা ও এর মাধ্যমে ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজিকে একটি স্বতন্ত্র সাবস্পেশিয়ালটি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক স্বীকৃতি প্রদান।
২৩) হেপাটোলজি বিভাগে অটোলোগাস হেমোপয়েটিক স্টেম সেল ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন ও প্লাজমা এক্সচেঞ্জ চালু করা।
২৪) একসাথে সর্বোচ্চ ৩ জন সহযোগী অধ্যাপকের অধ্যাপক পদে পদোন্নতির ব্যবস্থা করা, যার ফলে এই মুহুর্তে এই বিভাগে ৫ জন সহ বাংলাদেশে হেপাটোলজিতে বিভিন্ন হাসপাতালে সর্বমোট ৯ জন অধ্যাপক কর্মরত আছেন। এটি বাংলাদেশে হেপাটোলজি স্বতন্ত্র স্পেশিয়ালটি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর যে কোন সময়ের বিবেচনায় সর্বোচ্চ।
২৫) বাংলাদেশের এক তৃতীয়াংশ অর্থাৎ ৩৩ জন হেপাটোলজিস্ট এই বিভাগের চেয়ারম্যান হিসাবে আমার মেয়াদকালে বিগত তিন বছরে এই বিভাগ থেকে এমডি (হেপাটোলজি) সম্পনন্ন করে সম্মানের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
তারিখঃ ১১/০৭/২১












