HOME বাংলা নিউজ ইডিসিএলকে মানবিক, জনবান্ধব ও স্বনির্ভর প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন...
সরকারি ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের (ইডিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রশাসক আ. কা. মো. আশরাফুজ্জামান। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও জনকল্যাণমুখী চিন্তাভাবনায় রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ইডিসিএলকে আরও আধুনিক, দক্ষ, স্বনির্ভর, জনবান্ধব ও সুশাসনভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়ার কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ইডিসিএলের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা ও কর্মদক্ষতার সর্বোত্তম ব্যবহার, অপচয় ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় হ্রাস এবং জনগণের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে গুরুত্ব দিচ্ছেন এমডি ও সিইও আ. কা. মো. আশরাফুজ্জামান। তাঁর নেতৃত্বে ইডিসিএলকে শুধু একটি ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নয়, বরং দেশের সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থার জন্য একটি শক্তিশালী, নির্ভরযোগ্য ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরও সুপ্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।
আ. কা. মো. আশরাফুজ্জামানের নেতৃত্বে ইডিসিএলের উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা ও কার্যকারিতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তাঁর লক্ষ্য হলো—মানসম্মত ওষুধের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের মাধ্যমে দেশের জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইডিসিএলের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করা এবং প্রতিষ্ঠানটিকে একটি সফল, টেকসই ও মানবিক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।
এমডি এবং সিইও আ. কা. মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, “ইডিসিএল রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। দেশের মানুষের প্রয়োজনীয় ওষুধের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। এ জন্য প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি বলেন, “ইডিসিএলকে শুধু কম দামে ওষুধ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চাই না। নিজেদের সক্ষমতা বাড়িয়ে দেশের সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে চাই। জনগণের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত ওষুধ নিশ্চিত করাই আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।”
ইডিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ও অপচয় কমানো, জনবলের দক্ষতা কাজে লাগানো এবং ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং স্বচ্ছ ক্রয়প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আ. কা. মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, “একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে শুধু উৎপাদন বাড়ালেই হবে না; দক্ষ ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। আমরা এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে ইডিসিএলকে আরও কার্যকর ও টেকসই প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চাই।”
তিনি বলেন, “আমি চাই ইডিসিএল একটি মানবিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠুক। এখানে জনগণের স্বার্থ, মানসম্মত ওষুধ উৎপাদন, কর্মীদের কল্যাণ এবং সুশাসন—সবকিছুকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান তৈরি করা নয়; বরং এমন একটি শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, যা দেশের সরকারি স্বাস্থ্যখাতে প্রয়োজনীয় ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।” তাঁর মতে, উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার, অপচয় ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানো এবং জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মাধ্যমে ইডিসিএল দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও স্বনির্ভর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।