দোষ: শাহিনা খাতুন।
সময় বরবাদ আর জীবন ক্ষয়ে যায়
জনকেরে দোষে জননীরে দোষে
বৃক্ষ লতাপাতা পাহাড় নদীটারও দোষ কিছু আছে
স্কুলে যাওয়ার রাস্তাটা
আর অর্বাচীন বন্ধুরাও কম দোষী নয়
ঘুনে ধরা সমাজকে গালি দেয় অহরহ
তারপর অলিগলি মেঠোপথ বা রাজপথে
ঘৃণার কনা ছড়ায়ে চলে যেতে চায় দুরদেশে।
অথবা অট্টালিকাসম ইমারতের বাতায়ন থেকে
ট্রাফিকজ্যাম বর্জ্যব্যবস্থাপনাকে গালি দিয়ে
রাত ভোর হয় আবার বিকেলগুলো
রাতের গভীরে ঢুকে যায়।
মরে যাওয়া নদীটার কান্না শুনতে
পেলেনা বলে ঐ সবুজ ধানক্ষেত
তোমায় মার্জনা করবেনা কোনদিন
ফুটপাথে যে মাতা বৃষ্টির ভয়ে
সদ্যোজাত শিশুরে আঁচলে লুকায়
সে তোমায় অব্যাহতি দেবেনা কোনদিন।
ম্যাপললিফের পাতার রঙ বদলানোর আনন্দ
তোমায় স্থুল করে রেখেছে
মনের গহীনে ডুবে দেখে নিতে পার।
তোমার আত্মপরতার খোঁজ জানা নেই বলে
এ প্রদেশের মেঘেদের সাথে তোমার কথা হয়না।
এ আকাশ এ রাস্তার ফুটপাথে দাঁড়ানো
দেবদারু বকুল আর আর পাতাবাহার গাছ
ভুলভাল অভ্যাসের গুরুজন
এসব মহাকাব্যের মধ্যেই আছে
আমাদের মায়াময় ক্ষুদ্র জীবন।
তারিখঃ ২৩/১১/১৯













